অন্যের জুতো, ঘড়ি বা ব্যক্তিগত জিনিস ব্যবহার করার অভ্যাস
জ্যোতিষ ও প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যের ব্যবহৃত কিছু জিনিস ব্যবহার করা শুভ নয়। এতে অজান্তেই জীবনে নানা সমস্যা ডেকে আসতে পারে। কোন কোন জিনিস ব্যবহার না করাই ভালো, জেনে নিন—
ঘড়ি
অন্য কোনো ব্যক্তির ঘড়ি কখনোই পরা উচিত নয়। বিশ্বাস করা হয়, ঘড়ি মানুষের জীবনের সময় ও ভাগ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই অন্যের ঘড়ি পরলে সেই ব্যক্তির খারাপ সময় বা নেতিবাচক প্রভাব নিজের জীবনে চলে আসতে পারে। এর ফলে নানারকম ঝামেলা ও বাধার সম্মুখীন হতে হয়।
আংটি
রত্নখচিত হোক বা সাধারণ ধাতুর—কোনো আংটি কারও সঙ্গে পাল্টাপাল্টি করে পরা একেবারেই ঠিক নয়। আংটি যে আঙুলে পরা হয়, তা মানুষের জীবনশক্তি ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত। তাই অন্যের পরা আংটি ব্যবহার করলে অজান্তেই নিজের জীবনে সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে।
কাপড়
প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, কারও ব্যবহৃত পোশাক পরলে দুর্ভাগ্য ডেকে আনতে পারে। কারণ সেই পোশাকের মাধ্যমে ওই ব্যক্তির নেতিবাচক শক্তিও নিজের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। তাই অন্যের পরা কাপড় এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
চটি বা জুতো
অনেক সময়ই আমরা দ্বিধা না করেই কারও ব্যবহৃত চটি বা জুতো পরে নিই। কিন্তু এই অভ্যাস দারিদ্র্য ও আর্থিক সংকটের কারণ হতে পারে বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষ মতে, শনির প্রভাব পায়ের সঙ্গে যুক্ত। তাই অন্যের জুতো পরলে সেই ব্যক্তির জীবনের দুঃখ-কষ্ট নিজের ওপর এসে পড়তে পারে।
চিরুনি
কারও ব্যবহৃত চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো দুর্ভাগ্যের কারণ হতে পারে। শুধু চিরুনি নয়, মাথার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কোনো ব্যক্তিগত সামগ্রী অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নিলে ভাগ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
কলম
কারও কাছ থেকে কলম বা পেনসিল নিয়ে লিখলে তা অবশ্যই তাকে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত। কিন্তু অন্যের কলম বা পেনসিল নিজের কাছে রেখে দিলে কর্মজীবন ও আর্থিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

জ্যোতিষ ও প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যের ব্যবহৃত কিছু জিনিস ব্যবহার করা শুভ নয়। এতে অজান্তেই জীবনে নানা সমস্যা ডেকে আসতে পারে। কোন কোন জিনিস ব্যবহার না করাই ভালো, জেনে নিন— ঘড়িঅন্য কোনো ব্যক্তির ঘড়ি কখনোই পরা উচিত নয়। বিশ্বাস করা হয়, ঘড়ি মানুষের জীবনের সময় ও ভাগ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই অন্যের ঘড়ি পরলে সেই…












