বাড়িতে গণেশজীর পুজো করার নিয়মগুলি কী কী ?
১. বাড়িতে যদি পুরনো গণেশের মূর্তি থাকে, তবে সেটিতেই পুজো করা যেতে পারে। ইচ্ছা করলে বাজার থেকে নতুন মূর্তি এনে পুজো দেওয়াও সম্ভব। সে ক্ষেত্রে পুরনো মূর্তিটি যথাযথ নিয়মে বিসর্জন দিতে হবে। একসঙ্গে বাড়িতে দুটি গণেশের মূর্তি রাখা উচিত নয়।
২. পুজো শুরু করার আগে স্নান করে শুদ্ধ ও পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা আবশ্যক। উপবাস রেখে পুজো করতে পারলে তা সর্বোত্তম। তা সম্ভব না হলে এই দিনে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।
৩. প্রথমেই প্রভু গণেশের প্রতিষ্ঠা করতে হবে। চতুর্থীর দিন সকালে উত্তর, পূর্ব অথবা উত্তর-পূর্ব দিকে গণেশের মূর্তি স্থাপন করা উচিত। একটি কাঠের ছোট চৌকি বা বেদির উপর লাল কাপড় পেতে তার উপর গণেশের মূর্তিটি বসাতে হবে। গণেশের ডান ও বাঁ পাশে ঋদ্ধি ও সিদ্ধির প্রতীক হিসেবে একটি করে সুপুরি রাখা যেতে পারে।
৪. বেদিতে পাতানো লাল কাপড়টি যেন ছেঁড়া, ফাটা বা ছিদ্রযুক্ত না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হবে।
৫. গণেশের মূর্তির দক্ষিণ-পূর্ব কোণে প্রদীপ জ্বালাতে হবে। এর সঙ্গে সুগন্ধী ধূপ জ্বালানো হলে পুজো আরও শুভ হয়।
৬. গণপতির আরাধনায় সুগন্ধী ফুলের সঙ্গে অবশ্যই দূর্বা ব্যবহার করতে হবে। সম্ভব হলে আমের পল্লব ব্যবহার করাও অত্যন্ত শুভ।
৭. পুজোর সময় গণেশকে লাল বা কমলা সিঁদুর, হলুদ এবং চন্দনের ফোঁটা দেওয়া যেতে পারে। পুজো শেষে সেই ফোঁটা নিজের কপালে ও বাড়ির সকলের কপালে প্রদান করা উচিত।
১. বাড়িতে যদি পুরনো গণেশের মূর্তি থাকে, তবে সেটিতেই পুজো করা যেতে পারে। ইচ্ছা করলে বাজার থেকে নতুন মূর্তি এনে পুজো দেওয়াও সম্ভব। সে ক্ষেত্রে পুরনো মূর্তিটি যথাযথ নিয়মে বিসর্জন দিতে হবে। একসঙ্গে বাড়িতে দুটি গণেশের মূর্তি রাখা উচিত নয়। ২. পুজো শুরু করার আগে স্নান করে শুদ্ধ ও পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা আবশ্যক। উপবাস…












